“শুধু দুবেলা ভাতের বিনিময়ে পড়াতে চাই” যুবকের কাতর আবেদনে উত্তাল নেট পাড়া

0
128

বর্তমানে বিনোদের আরেক নাম সোশ্যাল মিডিয়া। সোশ্যাল মিডিয়াকে আমরা আরো দুটি নামে চিনি যথা নেট মাধ্যম এবং নেট দুনিয়া।

বর্তমানে এই সোশ্যাল মিডিয়া আমাদের জীবনে খুবই গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব বিস্তার করে। সোশ্যাল মিডিয়া ছাড়া আমার বর্তমান জীবনে একেবারেই অচল।

সোশ্যাল মিডিয়া বা নেট দুনিয়ার মাধ্যমেই আমরা বর্তমানে খেলাধুলা থেকে শুরু করে সিনেমা পর্যন্ত সকল মনোরঞ্জন মূলক বিষয়গুলি নিমিষে উপভোগ করতে পারি।

এমনকি বিভিন্ন প্রাকৃতিক খবরাখবর নিমিষেই জেনে যেতে পারি এই নেট মাধ্যমের ফলে। এক কথায় বলতে গেলে বিজ্ঞানের শ্রেষ্ঠ অবদান গুলির মধ্যে অন্যতম এই সোশ্যাল মিডিয়া।

এই সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমেই বহু প্রতিভাবান মানুষ তাদের প্রতিভা সকলের কাছে তুলে ধরেন। এই মাধ্যমের ফলে আমরা রানু মন্ডল, বিপাশা দাস সহ চাঁদমনি হেমব্রমকে আমাদের মাঝে পেয়েছি।

এক কথায় বলতে গেলে এই সোশ্যাল মিডিয়া বা নেট মাধ্যম বা নেট দুনিয়া আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে উঠেছে। সোশ্যাল মিডিয়া না থাকলে আমরা হয়ত দৈনন্দিন জীবনে অচল।

চলুন তাহলে আজকের আলোচনা শুরু করা যাক। আজ আমরা এক ভাইরাল টপিক নিয়ে কথা বলবো। রবি ঠাকুরের কবিতার নায়কের আত্মকথনে পাওয়া গিয়েছিল তাঁর গ্রাসাচ্ছাদনের বৃত্তান্ত। ‘বাঁশি’ কবিতার সেই নায়ক খেতে পেতেন দত্তদের বাড়ি ছেলে পড়িয়ে। বাংলাদেশের আলমগীর কবীরের জীবন কবিতা নয়, কঠোর গদ্য।
বগুড়ার জহুরুল এলাকায় বিদ্যুতের বাতিস্তম্ভে তাঁর দেওয়া বিজ্ঞাপনের ছবি এখন নেটমাধ্যমে ভাইরাল। ‘শুধুমাত্র দু-বেলা ভাতের বিনিময়ে পড়াতে চাই।’ অতিমারি পর্বে বাংলাদেশ রবি ঠাকুরের যুগে ফিরে গেল কি না, সেই প্রশ্ন অবান্তর। তবে এমন ভাষায় বিজ্ঞাপন বহু মানুষের চোখ টেনেছে। কবীর লিথেছেন, তিনি প্রথম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি অঙ্ক ছাড়া সব বিষয়েই পড়াতে পারবেন।
সাদা কাগজে প্রিন্টআউটে তিনি তাঁর ফোন নম্বরও উল্লেখ করেছেন। নিজেকে বেকার বলে উল্লেখ করে কবীর জানিয়েছেন, তিনি বগুড়ার জহুরুল নগরের আশপাশেই গৃহশিক্ষকতা চান। তিনি সরকারি আজিজুল হক কলেজ থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর পাশ করেছেন চাকরি খুঁজছেন। কিন্তু প্রত্যাশা মতো কিছু পাননি এখনও। হাতে রয়েছে একটি গৃহশিক্ষকতা। বাংলাদেশি মুদ্রায় সেখান থেকে মেলে হাজার দেড়েক টাকা।
এর থেকেই হাতখরচ, বিভিন্ন চাকরি পরীক্ষা দেওয়ার খরচ চালিয়ে দুবেলা খাওয়া দাওয়া? না অসম্ভব।তাই এমন গৃহশিক্ষকতা খুঁজছেন যাতে তাঁর দু’বেলার অন্নচিন্তাটুকু লাঘব হয়। জয়পুরহাট পাঁচবিবির বাসিন্দা কবীরের এই বিজ্ঞাপন নেটমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর অনেকে তাঁকে ফোন করেছেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here