সুপারস্টার হয়েও নেই একফোঁটা অহংকার! স্বাচ্ছন্দ্যে গরীবের বাড়ি খাবার খাচ্ছেন জিৎ

0
96

বিজ্ঞানী ভিনটন জি কার্ফকে ইন্টারনেটের জনক বা আবিষ্কারক বলা হয়। ইন্টারনেট আবিষ্কারের পর এটির সবথেকে যুগান্তকারী অবদান হল সোশ্যাল মিডিয়া।

এই আধুনিক যুগে ঘরে বসে বিনোদনের মূলমন্ত্র হয়ে উঠেছে এই সোশ্যাল মিডিয়া। সোশ্যাল মিডিয়ার আরো দুটি নাম আছে যথা নেট দুনিয়া এবং নেট মাধ্যম।

সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে আমরা ঘরে বসেই সিনেমা থেকে শুরু করে খেলাধুলা নিমিষেই উপভোগ করতে পারি।

এই সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে আমরা বিভিন্ন দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার পূর্বাভাস বা বন্যা, ভারী বৃষ্টিপাত সম্পর্কিত তথ্য নিমিষেই জেনে যেতে পারি।

এছাড়া এই নেট দুনিয়া আছে বলেই কোনো প্রতিভা একেবারে শুরুতেই শেষ হয়ে যায় না। প্রতিভাবান ব্যক্তিরা এই নেট দুনিয়াতে নিজেদের প্রতিভার ভিডিও আপলোড করেন এবং সেই ভিডিওটি নেটিজেনদের মধ্যে ভাইরাল হলে ওই প্রতিভাবান ব্যক্তি রাতারাতি স্টার হয়ে যান। এই সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমেই আমরা রানু মণ্ডল, চাঁদমনি হেমব্রম ও বিপাশা দাসের মত প্রতিভাদের আমাদের মাঝে পেয়েছি। এক কথায় বলতে গেলে সোশ্যাল মিডিয়ার অবদান আমাদের জীবনে অনস্বীকার্য।
চলুন তাহলে আজকের আলোচনা শুরু করা যাক। আজ আমরা এক ভাইরাল টপিক নিয়ে কথা বলবো। টলি পাড়ায় জিৎ মানেই হিট, সঙ্গে কমার্শিয়াল মুভির মুচমুচে গল্প। বিশেষ করে এই বছরের পুজোর বাজিমাৎ করতে আসছেন জিৎ দেব ও মিমির সঙ্গে জুটি বেঁধে। ইতিমধ্যে, প্রকাশ্যে এসেছে বাজির প্রথম গান ‘আয় না কাছে রে’। করোনার তৃতীয় ঢেউ যদি বাড়াবাড়ি না করে তবে দর্শক হবে হলমুখী এবং মুক্তি পাবে টলিউডের একের পর এক ধামকাদার মুভি।
বর্তমানে জিৎ ব্যস্ত জি বাংলার অন্যতম ড্যান্স রিয়্যালিটি শো ‘ড্যান্স বাংলা ড্যান্স’ নিয়ে। বিচারকের আসনে শুভশ্রী ও গোবিন্দার পাশাপাশি রয়েছেন জিৎ নিজে।রিয়্যালিটি শো ছাড়াও জিৎ কমার্শিয়াল মুভির এক জনপ্রিয় নায়ক। 2002 সালে তার প্রথম মুক্তিপ্রাপ্ত সাথী, তখন থেকেই জিৎ এর জনপ্রিয়তা দর্শকদের মনে বাসা বাঁধে।
শুভশ্রী, কোয়েল, শ্রাবন্তী, স্বস্তিকার সঙ্গে জুটি বেঁধে বহু সিনেমা উপহার দিয়েছেন জিৎ। বর্তমানে তার নিজস্ব প্রযোজনা সংস্থাও রয়েছে। তাই সব মিলিয়ে একজন সফল, সুদর্শন পুরুষ বলা যেতে পারে জিৎ কে, যার পুরো নাম জিতেন্দ্র মদনানী।সম্প্রতি, জিৎ এর ফ্যান ক্লাব থেকে একটি ছবি পোস্ট করা হয়, যেখানে জিৎ একটি অত্যন্ত সাধারণ ঘরে বসে খাবার খাচ্ছেন।
ক্যাপশনে লেখা, “এতো বড় সুপারস্টার যার বিন্দুমাত্র অহংকার নেই।” এরপরেই নেট জনতার কমেন্ট উপচে পড়ে। কেউ নেতিবাচক কমেন্ট করে লেখেন, “এখন পয়সার জন্যে মানুষ সব করতে পারে যদিও এটা একটি শুটিংয়ের ফটো”. আবার কেউ লিখেছেন, “অহংকার তারাই করে যাদের কিছু থাকেনা”. কেউ কেউ জিৎ কে নিমন্ত্রণ জানিয়েছেন নিজের বাড়িতে পিঠে খাওয়ায় জন্য। তবে বলাইবাহুল্য জিতের এই মুহূর্তটি সোশ্যাল মিডিয়ায় বহু ভাইরাল পোস্টের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here